মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর)
সন্ধ্যায় ফতুল্লার শিবু মার্কেটের ল্যামাপাড়া দরগাহ বাড়ি জামে মসজিদ এলাকা থেকে
তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা
যায়, ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মিঠুর প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র
করে নানা অভিযোগ ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, জুট ব্যবসার
নিয়ন্ত্রণ, মাদক কারবার এবং কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে
তাঁর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাজনৈতিক
পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন মিঠু। ছাত্র-জনতার
আন্দোলনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
পরে রাজনৈতিক পরিস্থিতির
পরিবর্তনের পর মিঠু বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করেন এবং স্থানীয় কয়েকজন
নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে পুনরায় এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন—এমন অভিযোগও রয়েছে স্থানীয়দের।
পুলিশ জানায়, মিঠুর
বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র
আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে করা মামলাও রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দল
নেতা এস কে শাহিনের অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায়ও তাঁর নাম রয়েছে।
এ ছাড়া শিবু মার্কেট এলাকায়
জুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন আনুকে কুপিয়ে
হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মিঠু ও তাঁর ভাই আলমকে আসামি করা হয়েছে বলে
জানা গেছে।
অস্ত্র, মাদক ও
মারামারির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে পুলিশ ও
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.
মাহবুব আলম বলেন,
মিঠুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর আইনগত
প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন