শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও বুড়িগঙ্গা নদীর মোহনা এলাকায় নদীপথে চলাচলকারী সরকারি-বেসরকারি তেলবাহী জাহাজ থেকে তেল চুরির অভিযোগ উঠেছে বারেক, আহসানউল্লাহ ও জালাল নামে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তাদের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে তেল চুরির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জাহাজ মালিকেরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, নদীপথে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের সময় নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের গতিবিধি নজরদারি করা হয়। সুযোগ বুঝে বিভিন্ন কৌশলে জাহাজ থেকে তেল সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে একদিকে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে নদীপথে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জাহাজ মালিকদের অভিযোগ, তেল চুরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না। ফলে নদীপথে পণ্য পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী ও জাহাজ মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তাদের ভাষ্য, তেল চুরির কারণে শুধু জাহাজ মালিক বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে না, এর প্রভাব পড়ছে পুরো নৌপরিবহন ব্যবস্থার ওপর। চুরি ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি ও নদীপথে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
ব্যবসায়ী ও জাহাজ মালিকেরা বলেন, নদীপথে তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, নৌ পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে অভিযোগের তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের একাধিকবার কল দিলেও তারা রিসিভ করেনি তাই তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তেল চুরির অভিযোগের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ নৌ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) জানান, আমরা এই বিষয়ে এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি পেলে তা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিব।