শনিবার (২৯ আগস্ট)
রাতে ফতুল্লা মডেল থানাধীন শান্তিধারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা
হয়।
পুলিশের দাবি, গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, চাষাঢ়া-সাইনবোর্ড প্রধান সড়কের পূর্ব পাশে
শান্তিধারা ২ নম্বর রোডের একটি মসজিদের পাশে কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে
সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড ও ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছে।
পরে ফতুল্লা মডেল
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম
রাত আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন
পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ নয়জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার
ব্যক্তিরা হলেন—ফতুল্লার বিসিক শাসনগাঁও এলাকার রাব্বি (২০), ইয়াছিন আরাফাত (২০),
শিমুল (২০), গলাচিপা এলাকার পলক (১৮), সদর উপজেলার পাইকপাড়া এলাকার আবরার আহম্মেদ
(১৮), বরগুনার আমতলী এলাকার ফেরদাউছ (১৮) ও তানভির হোসেন (১৮) এবং ময়মনসিংহের
কোতোয়ালি মডেল থানার জাফরকান্দা এলাকার নয়ন (১৯) ও আবু বক্কর (১৮)।
পুলিশের ভাষ্য
অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নিজেদের নিষিদ্ধ ঘোষিত
সংগঠনের সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছেন। এ সময় তারা সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত
থাকার বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও দাবি
করেছে, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম
ওসমান ও তার ছেলে এ কে এম অয়ন ওসমানের প্ররোচনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ,
ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা ও পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকার
কথা জানিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া
যায়নি।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার
ব্যক্তিসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর
সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো
হয়েছে।
পলাতক আসামিদের
গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
দ্যা প্রেস নিউজ/এসআর
মন্তব্য করুন