সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জেলা
কারাগার কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক
মো. রায়হান কবির।
আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক
মাদকের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে বন্দিদের কারামুক্তির পর মাদকমুক্ত ও দায়িত্বশীল
জীবনে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি জানান, কারাগার
থেকে বের হওয়ার পর যারা মাদকমুক্ত জীবন ধরে রাখতে পারবেন, তাদের মধ্য থেকে ১০ জনকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পুরস্কৃত করা হবে। একই
সঙ্গে বন্দিদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভালো
বই পড়ে মানসম্মত রিভিউ দেওয়ার জন্য এরই মধ্যে কয়েকজন বন্দিকে পুরস্কৃত করা হয়েছে
বলে জানান তিনি।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, শুধু
সচেতনতা তৈরিই নয়, বন্দিদের হাতে কাজ শেখানোর দিকেও গুরুত্ব
দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গার্মেন্টস খাতের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি
প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কাজের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আরও
জানানো হয়, কারাগারের ভেতরে গার্মেন্টসের কাজ বা কোনো অর্ডার সম্পন্ন করে যে লাভ
হবে, তার ৫০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট বন্দিদের দেওয়ার ব্যবস্থা
রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে বন্দিরা কারামুক্তির আগেই একটি পেশাগত দক্ষতা অর্জনের
সুযোগ পাবেন।
জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষের
ভাষ্য, সংশোধনমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বন্দিদের মাদকমুক্ত জীবনযাপনে
উৎসাহিত করা, দক্ষতা বাড়ানো এবং মুক্তির পর সমাজে
স্বাভাবিকভাবে পুনর্বাসনের উপযোগী করে তোলাই এসব কর্মসূচির উদ্দেশ্য।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের
জেল সুপার আব্দুল কুদ্দুছের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলার শেখ মো. রাসেল ও
উপ-তত্ত্বাবধায়ক মাসুদ পারভেজ রুবেলসহ কারা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন