আজকের দ্যা প্রেস নিউজ | The Press News সংবাদ
শিরোনাম
favicon সৌদি আরবে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশির favicon ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর favicon সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপের ৪ দিনের রিমান্ড favicon এইচএসসির ফলাফলে ছেলেদের পেছনে ফেলল মেয়েরা favicon বাংলাদেশকে ঘিরে জাপানের বড় প্রত্যাশা, আলোচনায় বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক যোগাযোগ favicon ডেঙ্গুর ভয়াবহ থাবা, এক দিনে আরও ১১ মৃত্যু favicon নারায়ণগঞ্জে হকার উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা, ভাঙচুরের অভিযোগ favicon আমাকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখো না’, মনে রেখো, আমি বাংলাদেশ favicon আজ থেকে আবারও রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাট favicon ইনানীতে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই কক্সবাজারের হোটেলে ফের আগুন favicon তরুণ প্রজন্মকে মাঠে ফেরাতে হবে, খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি favicon দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান favicon তুহিন হত্যা মামলায় আদালতে হাজির আইভী, পুনরায় জামিন মঞ্জুর favicon এক রাতের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জে তিন স্থানে আগুন ও বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯ favicon চাষাঢ়ায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে প্রাণ গেল অজ্ঞাত কিশোরের favicon মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়েই চলছে ফতুল্লা থানা কৃষক দলের কমিটির কার্যক্রম! favicon চট্টগ্রাম বন্দর ‘বিক্রি’ নয়, সক্ষমতা বাড়াতেই ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী favicon কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা, চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক সুমন গ্রেপ্তার favicon ৮ মাসেও মেলেনি জনবল, বন্ধ ভিক্টোরিয়া হাসপালাতের এক্স-রে সেবা! favicon ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৮৬০ favicon একনেকে ১৩ প্রকল্পে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ favicon দেশে ডেঙ্গুর দাপট, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ১০ জনের favicon জাপানের আমন্ত্রণে ২৬ অক্টোবর টোকিও যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী favicon সিন্ডিকেট’ শব্দটি মুছে ফেলতে চাই: খাদ্যমন্ত্রী favicon নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে গণমাধ্যমকে তুলে ধরার আহ্বান favicon আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব জ্বালানিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর favicon শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান favicon আমৃত্যু শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী favicon দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৫ দিনের ছুটি favicon ১০ মাসেও শেষ হয়নি ড্রেন নির্মাণ, দুর্ভোগে গলাচিপার বাসিন্দারা favicon ১০২ রানেই শেষ বাংলাদেশ, ব্রোঞ্জও গেল শ্রীলঙ্কার ঘরে favicon ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৪ হামলার দাবি, হতাহত ১,৫৪০ হুথি যোদ্ধা favicon আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী favicon নাসিকের উদ্যোগে ১২০ কোটি টাকায় জিয়া হল হবে বহুমুখী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র favicon জাতিসংঘ সফর নিয়ে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন favicon বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ favicon ‎সোনারগাঁয়ে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ চারজনের মধ্যে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার,নিখোঁজ বাবা favicon হার দিয়েই আসিয়ান কাপ মিশন শুরু বাংলাদেশের favicon দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে ‘কঠিন ব্যারিকেড’ গড়ার ঘোষণা রিজভীর favicon নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক favicon হাম-ডেঙ্গু-নিউমোনিয়া, ঝুঁকিতে শিশুরা favicon জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান favicon জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ৩৫ জন favicon ককটেল বিস্ফোরণ-বাসে আগুন, কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর favicon আইফোনই কাল হলো অপ্রতিমের, হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ favicon পাকিস্তানে মসজিদে গাড়িবোমা হামলায় ১৬ জনের প্রাণহানি favicon নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী favicon ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের প্রাণহানি,হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৪৮৪ favicon বন্ধ শিল্প-সেবা প্রতিষ্ঠান চালুতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম favicon রূপপুরের বিদ্যুৎ নিয়ে বড় বার্তা রুশ রাষ্ট্রদূতের
Advertisement

বকেয়া পরিশোধ না করায় ভারতীয় এয়ারলাইনস স্পাইসজেটকে বাংলাদেশের আকাশসীমায় নিষিদ্ধ করল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তত তিনজন উপদেষ্টা নির্বাচন বিলম্বিত করার নানামুখী খেলায় লিপ্ত ছিলেন । অন্য একজন উপদেষ্টা ছিলেন অবশ্য সুবিধাবাদী ভূমিকায়। দু’পক্ষকেই খুশি রেখে সময়টা কাটিয়েছেন। তিনি বরাবরই অস্থির। এই উপদেষ্টাদের কৌশলের অন্যতম হাতিয়ার ছিল মব সন্ত্রাস। তারা কৌশলের অংশ হিসেবে মব সন্ত্রাসকে উসকে দিতেন। শুরুতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেয়ার ব্যাপারে প্রফেসর ইউনূস চিন্তাভাবনা করছিলেন। পরে তিনি একগাদা সংস্কার প্রস্তাব জাতির সামনে উপস্থাপন করেন। এগুলোর পেছনে ক্ষমতার মেয়াদ আরও বাড়ানোর ছক ছিল-এমনটাই বলা হচ্ছে। তিন উপদেষ্টার চাপের কারণে দ্রুত নির্বাচন থেকে পিছু হটেন ড. ইউনূস।

তাদের যুক্তি ছিল নির্বাচন এত তাড়াতাড়ি দেয়া ঠিক হবে না। পরিস্থিতি সামাল দেয়া সত্যিকার অর্থেই কঠিন হবে। এসব যুক্তির পেছনে তাদের বিশেষ মতলব ছিল। তারা চেয়েছিলেন ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে এবং কৌশলে তাদের পছন্দের শক্তির কাছে ক্ষমতা তুলে দিতে। এসব পরিকল্পনা ভেস্তে যায় জনচাপে এবং ভূ-রাজনৈতিক কারণে। এখানে আঞ্চলিক শক্তি ছিল ভীষণ তৎপর। তারা চেয়েছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করতে। এর পেছনে অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বের অবসান। উপদেষ্টারা প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করতেন। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোকে কনভিন্স করার চেষ্টাও করতেন। নির্বাচন দ্রুত হলে কী কী সমস্যা হতে পারে। তাদের কথা-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না। কারণ আইনশৃঙ্খলার অবস্থা নাজুক। এই সুযোগে অন্যপক্ষ ক্ষমতা নিয়ে যেতে পারে। ভূলুণ্ঠিত হতে পারে আগস্টের চেতনা। একটি আন্তর্জাতিক শক্তিকে তারা অবশ্য এই যুক্তি দিয়ে কনভিন্স করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এর পেছনে আরও কিছু যুক্তি রয়েছে যা ছিল আত্মঘাতী এবং ক্ষমতা লিপ্সার কৌশল।
সন্ধ্যা হলেই তারা বৈঠকে বসতেন। আরও দু’একজন থাকতেন। যারা ক্ষমতায় না থেকেও ছড়ি ঘুরাতেন। এক পর্যায়ে তারা এতটাই শক্তিশালী হয়ে যান যাতে প্রফেসর ইউনূস অসহায় হয়ে পড়েন। তিনি বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে থাকেন। একটি আঞ্চলিক শক্তির চাপের মুখে তিনি নির্বাচনমুখী হতে বাধ্য হন । লন্ডন বৈঠক ছিল তারই অংশ। এই উপদেষ্টারা বৈঠকের আগেই নানা ষড়যন্ত্রে যুক্ত হন। বলতে থাকেন, এই বৈঠক প্রফেসর ইউনূসের প্রশাসনকে দুর্বল করবে। মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাবে। এমনকি বৈঠকের ফলাফলকেও বানচাল করতে ভীষণ তৎপর হয়ে উঠেন। কাজে লাগান তাদের পছন্দের রাজনৈতিক শক্তিকে। তারা প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকেন। প্রফেসর ইউনূস আবার দ্বিধাদ্বন্দ্বে। নির্বাচন তখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
দেশের ভেতরকার একটি শক্তি নানাভাবে চাপ দিতে থাকে। নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তা না হলে অন্য বিপদ হতে পারে। এরপরও নির্বাচনবিরোধী শক্তি থেমে যায়নি। ধীরে ধীরে তারা প্রশাসনকে কবজা করে নেয়। এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করে যাতে এক পর্যায়ে মনে হয়েছিল-প্রফেসর ইউনূসকে হটিয়ে তারা ক্ষমতার মসনদে চলে যাবে। পর্দার আড়ালের তৎপরতার উপর প্রধান রাজনৈতিক শক্তি খুব কাছে থেকেই নজর রাখছিল। তারা বরাবরই নির্বাচন চেয়েছে । কোনো হঠকারী সিদ্ধান্তে তারা প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। মব সন্ত্রাস প্রশাসনের গতি থামিয়ে দিচ্ছিল বারবার। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে যেদিন আগুন সন্ত্রাস হলো সেদিনের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলেই অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়। প্রশাসনকে কারা নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ যাতে সময়মতো না যায়! বাস্তবে তাই ঘটেছিল। পুলিশ অনেক বিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেখানে পুলিশের বড় কর্তার ভূমিকা ছিল বেশ রহস্যজনক।
প্রফেসর ইউনূসকেও অন্ধকারে রাখা হয়। পরে তিনি একজন সিনিয়র সাংবাদিককে বলেছেন, তখন তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। কিছুই জানতেন না। এর আগে ওসমান হাদীর মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয় দেশে। এই সুযোগও নিতে চেয়েছিলেন কেউ কেউ। তবে সেনাবাহিনী ছিল সতর্ক। রাজনৈতিক শক্তিগুলো ছিল তৎপর। সোশ্যাল মিডিয়া পর্যালোচনা করলে আরও কিছু আলামত পাওয়া যায়। যাইহোক, উল্লিখিত উপদেষ্টারা শুধু দেশে নয়, বিদেশে গিয়েও নানা কূটকৌশলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একজন উপদেষ্টা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশে গিয়ে একদিন তো নিখোঁজই হয়ে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের মিশন তাকে হন্য হয়ে খুঁজেছে। তার হদিশ পাওয়া যায়নি তখন। এই উপদেষ্টারা জনমত জরিপের পেছনেও সক্রিয় ছিলেন। বেশিরভাগ জনমত জরিপ ছিল ফরমায়েশি এবং বাস্তবতা বিবর্জিত।
টেবিলে বসেই অনেকগুলো তৈরি করা হয়। দূতাবাসগুলোতে তাদের বিচরণ ছিল। তারা বিদেশি কূটনীতিকদের বারবারই বলেছেন, নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত শক্তির উত্থান ঘটবে। জনমত জরিপ তাই বলছে। নির্বাচনের দিনেও তাদের তৎপরতা ছিল। তাদের নজর ছিল পছন্দের আসনগুলোর দিকে। বেশ কিছু আসনের ফলাফল পর্যালোচনা করলে অবিশ্বাস্য কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যদিও সন্ধ্যা থেকেই তারা অনুমান করতে থাকেন পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে কোনো খেলা তাদের বিপদ ডেকে আনবে। তাই তারা প্ল্যান ২ বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকেন। কী ছিল তাদের পরিকল্পনা?

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ

বিসিকে শ্রমিক আন্দোলনে উসকানির অভিযোগ, আলোচনায় কাইল্লা রহমত

বিসিকে শ্রমিক আন্দোলনে উসকানির অভিযোগ, আলোচনায় কাইল্লা রহমত

সিদ্ধিরগঞ্জে ‘রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে’ পিটিয়ে হত্যা

সিদ্ধিরগঞ্জে ‘রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে’ পিটিয়ে হত্যা

সিদ্ধিরগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ তিনজন গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ তিনজন গ্রেপ্তার

সোনারগাঁয়ে বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার-১৫

সোনারগাঁয়ে বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার-১৫

বন্দরে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

বন্দরে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

সৌদি আরবে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশির

সৌদি আরবে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশির

ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে মাঠে নামল ৬০০ কাব স্কাউট

পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে মাঠে নামল ৬০০ কাব স্কাউট

ঢাকায় চার দিনব্যাপী অর্নামেন্টাল ফিশ ফেয়ার অ্যান্ড শো শুরু

ঢাকায় চার দিনব্যাপী অর্নামেন্টাল ফিশ ফেয়ার অ্যান্ড শো শুরু

ফতুল্লায় আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের গোপন তৎপরতার অভিযোগ, আলোচনায় আলী সরদার ও শেখ

ফতুল্লায় আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের গোপন তৎপরতার অভিযোগ, আলোচনায় আলী সরদার ও শেখ

আসছে দৈনিক এশিয়া পোস্ট,৬২ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

আসছে দৈনিক এশিয়া পোস্ট,৬২ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

‎ফতুল্লায় যুবলীগ নেতা আজমতের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আফসু হৃদয় গ্রেপ্তার ‎

‎ফতুল্লায় যুবলীগ নেতা আজমতের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আফসু হৃদয় গ্রেপ্তার ‎

সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২২

সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২২

রূপগঞ্জে তারাব সেতুর নিচে মিলল পুলিশের লুট হওয়া ২৯ রাউন্ড গুলি

রূপগঞ্জে তারাব সেতুর নিচে মিলল পুলিশের লুট হওয়া ২৯ রাউন্ড গুলি

হোটেল শীতলক্ষ্যায় এলাকাবাসীর ভাঙচুর, নারী-পুরুষসহ ২৬ জন গ্রেফতার

হোটেল শীতলক্ষ্যায় এলাকাবাসীর ভাঙচুর, নারী-পুরুষসহ ২৬ জন গ্রেফতার

সোনারগাঁয়ে দুই কারখানায় ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার

সোনারগাঁয়ে দুই কারখানায় ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার

পলাশ ও শামীম ওসমানের অনুসারী দুই সহোদর গ্রেফতার

পলাশ ও শামীম ওসমানের অনুসারী দুই সহোদর গ্রেফতার

খানপুর থেকে আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আক্তার নূর আটক

খানপুর থেকে আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আক্তার নূর আটক

৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে শ্রমিকদের অবরোধ

৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে শ্রমিকদের অবরোধ

নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের জালে ১২৭ জন

নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের জালে ১২৭ জন