পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জের
পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘খ’
সার্কেলের নেতৃত্বে বন্দর থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বন্দর
থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জামাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশের তথ্যমতে, সন্ত্রাসবিরোধী
আইনের একটি মামলায় চর ইসলামপুর এলাকার মাহবুব মেম্বারকে আসামি করা হয়েছে। ওই
মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে চানপুর-মদনপুর এলাকার সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার
করা হয়।
এ ছাড়া চুরির মামলায় ঢাকার
বনানী এলাকার সোহেল রানা,
দস্যুতার প্রস্তুতি ও অপরাধী সমাবেশের অভিযোগের মামলায় বন্দর
শাহী মসজিদ এলাকার আকরাম ওরফে তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চুরি মামলায় পুরান
সৈয়দপুরের সাব্বির এবং তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে রামনগর এলাকার মাহমুদুল হাসানকে
গ্রেপ্তার করা হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন
আইনের মামলায় জাঙ্গাল কেওডালা এলাকার গোলাম হোসেন এবং প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের
মামলায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকার কাশেম আলীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আদালতের
পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে পুরান বন্দর এলাকার শেখ মান্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় রনি পাগলা, রুবেল
সরকার ও রাকিব ওরফে গাড়া রাকিবকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, ২০
সেপ্টেম্বর রাতে বন্দর থানা এলাকায় পৃথক অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে আরও দুইজনকে
গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে বিভিন্ন মামলার আসামি ও মাদক সংশ্লিষ্টতায় জড়িত মোট
১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে
সংশ্লিষ্ট আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। বন্দর থানা পুলিশ
জানিয়েছে, মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন