বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কলাগাছিয়া ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির
চাল বিতরণকেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্য পাওয়া যায়।
সরেজমিনে একাধিক চালের বস্তা বাছাই করে ওজন করে দেখা যায়, কোনো
কোনো বস্তায় নির্ধারিত ৩০ কেজির তুলনায় ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম কম-বেশি রয়েছে। উপস্থিত
উপকারভোগীরা জানান, এ ধরনের সামান্য ওজনের তারতম্য থাকলেও
কয়েক কেজি চাল কম দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এ ছাড়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ডধারীদের তালিকা অনুযায়ী একাধিক
ভোক্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারাও নির্ধারিত পরিমাণে চাল পাওয়ার কথা
জানান। বিতরণ কার্যক্রম নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
চাল সরবরাহের বিষয়ে ‘যমুনা চাউল রাইস এজেন্সি’র মালিক মো. শাহাদাত
হোসেন জানান, বন্দর সিএসডি খাদ্য গুদাম থেকে সরকারি তদারকিতে উপজেলার ১০ জন ডিলারের
কাছে নিয়ম মেনে চাল সরবরাহ করা হয়। সেখানে অনিয়মের সুযোগ নেই। এখন পর্যন্ত এ ধরনের
কোনো অভিযোগও তিনি পাননি।
কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ডিলার দিদার বলেন, সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে চাল কম দেওয়ার যে কথা ছড়িয়েছে, তা
সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভোক্তারা চাইলে নিজেরাই চাল মেপে নিতে পারেন। যেকোনো ভোক্তা বা
প্রতিনিধি সরাসরি এসে বিষয়টি যাচাই করতে পারবেন।
সরেজমিন
পরিদর্শন ও তথ্যানুসন্ধানে চাল কম দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া না গেলেও সরকারি
খাদ্য বিতরণ কার্যক্রমে নির্ধারিত ওজন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত
তদারকি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন