বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চীফ কমার্শিয়াল ম্যানেজারের
কার্যালয় থেকে গত ২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দরপত্রের প্যাকেজ-১-এর আওতায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী
১ থেকে ১৬ নম্বর নারায়ণগঞ্জ কমিউটার ট্রেনের মোট ৮ জোড়া ট্রেনের বাণিজ্যিক
কার্যক্রম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী, নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান
নিজস্ব জনবল নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ে নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী টিকিট
প্রিন্টিং, টিকিট সরবরাহ, টিকিট
বিক্রি এবং যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায়ের দায়িত্ব পালন করবে। ট্রেনের প্রকৃত কোচ
চলাচলের ওপর ভিত্তি করে প্রতি একক কোচ ট্রিপের জন্য দরপত্রে নির্ধারিত হারে
বাংলাদেশ রেলওয়েকে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চুক্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন
বছর।
দরপত্রে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড
লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন সনদ, টিআইএন এবং ২০২৫-২৬
অর্থবছর পর্যন্ত আয়কর পরিশোধের সনদসহ নির্ধারিত অন্যান্য কাগজপত্র থাকতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দরপত্র দলিল বিক্রি শুরু হয়েছে ৬
সেপ্টেম্বর। আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অফিস চলাকালীন সময়ে নির্ধারিত স্থান থেকে
দরপত্র দলিল সংগ্রহ করা যাবে। দরপত্র দাখিলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ অক্টোবর
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। একই দিন দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে দরপত্র খোলার
কার্যক্রম শুরু হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের চীফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (পূর্ব) সুজিত কুমার
বিশ্বাস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে লোকাল ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হতো। তখন
রুটটিতে ১৬ জোড়া বা ৩২টি ট্রেন চলাচল করত। পরবর্তী সময়ে রেলওয়ের নিজস্ব
ব্যবস্থাপনায় ট্রেনগুলোর পরিচালনা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হয়।
মন্তব্য করুন