অভিযান শেষে শনিবার
রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর
রহমান।
ব্রিফিংয়ে পুলিশ
সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জে মাদকের বিস্তার, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড
ও অবৈধ অস্ত্রের আধিক্য নিয়ে পুলিশের কাছে বিভিন্ন তথ্য এসেছে। এসব অপরাধ দমনে
বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য সাধারণ অপরাধের
বিরুদ্ধেও পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, ‘এটি
কন্টিনিউয়াস প্রসেস। শুধু একদিনে শেষ হবে না।’ ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানোর
মাধ্যমে এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হবে বলেও জানান তিনি।
জেলা পুলিশ জানায়,
পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলার সাত থানায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ
সুপারদের তত্ত্বাবধানে কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা
করা হয়। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী, মাদক
সেবনকারী, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
অভিযানের অংশ
হিসেবে নগরীর টানবাজার এলাকার একটি মদ বিক্রির প্রতিষ্ঠানেও অভিযান চালানো হয়। এ
সময় প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মীসহ বাংলা মদ সেবনরত কয়েকজনকে আটক করা হয়। আটক
ব্যক্তিদের মদ সেবনের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি
না, তা যাচাই করছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার বলেন,
বাইরে থেকে আনা মদের বৈধ কাগজপত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স পরীক্ষা করা
হবে। কাগজপত্রে কোনো ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে সম্প্রতি এক
পুলিশ সদস্যের কথিত মাতলামির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি
নিয়ে নগরীর বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরদিনই টানবাজার এলাকায়
পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দ্যা প্রেস নিজ/এসআর
মন্তব্য করুন