মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে
আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠাগারটির উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস
এম ফয়েজ উদ্দিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াসির আরাফাত, উপজেলা
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুরাইয়া আশরাফী, উপজেলা
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফ উদ্দিন বিপ্লবসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের
পাশাপাশি গল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান,
ইতিহাস ও বিভিন্ন জ্ঞানমূলক বই পড়ার সুযোগ করে দিতেই ‘স্বপ্নের
সিঁড়ি পাঠাগার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুদের বয়স ও আগ্রহের বিষয়টি
বিবেচনায় রেখে পাঠাগারে বিভিন্ন ধরনের বই সংযোজন করা হচ্ছে।
শুধু বই পড়ার স্থান হিসেবে নয়, শিক্ষার্থীদের অবসর সময়কে আনন্দময়
ও সৃজনশীল করে তুলতেও পাঠাগারটি সাজানো হয়েছে। রঙিন ও নান্দনিক পরিবেশে বই পড়ার
সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে নতুন আগ্রহ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নিয়মিত বই পড়ার মাধ্যমে শিশুদের
জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি ভাষাজ্ঞান, কল্পনাশক্তি,
মননশীলতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটে। তাই পাঠ্যবইয়ের নির্ধারিত
পড়াশোনার বাইরে শিক্ষার্থীদের বই পড়ায় অভ্যস্ত করে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সদর উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্বপ্নের সিঁড়ি পাঠাগার’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা
হবে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি এবং
তাদের জ্ঞাননির্ভর ও সৃজনশীলভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করা হবে।
প্রশাসনের
কর্মকর্তারা মনে করছেন,
বিদ্যালয়ভিত্তিক এ ধরনের পাঠাগার শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের
বাইরের জগৎ সম্পর্কে জানার সুযোগ বাড়াবে। পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে বই পড়ার সংস্কৃতি
গড়ে তুলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও জ্ঞানমনস্ক ও সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগটি
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন