পুলিশ জানায়, গত ১
সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের মধ্যে ফতুল্লা মডেল
থানার শিকদার বাজার, গাবতলী ও টাগারপাড় এলাকার একটি বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে।
অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা কৌশলে বাসায় প্রবেশ করে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা,
স্বর্ণালংকার, রূপার অলংকার ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআরসহ প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ৫০
হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর
অভিযোগের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানায় চুরির মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে
ঘটনাস্থলের আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে
পর্যালোচনা করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি,
ফুটেজ বিশ্লেষণে ঘটনার দিন বাড়ির চালক হোসেনকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে ওই বাসায়
প্রবেশ করতে এবং কিছুক্ষণ পর বের হয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর তার গতিবিধির ওপর
নজরদারি শুরু করে পুলিশ।
তদন্তের
ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিকদার বাজার, গাবতলী ও
টাগারপাড় এলাকা থেকে হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হোসেন
শেরপুর সদর থানার চাপাতলী এলাকার কালামের ছেলে। বর্তমানে তিনি ফতুল্লার চানমারি
এলাকায় জাকিরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য
অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর তার হেফাজত থেকে চুরি মামলার ৪৯ ভরি ১৫ আনা স্বর্ণালংকার
ও ৮ ভরি ১৪ আনা রূপার অলংকার উদ্ধার করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চুরি যাওয়া অন্যান্য মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না,
তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দ্যা প্রেস নিজ/এসআর
মন্তব্য করুন