পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে মাদরাসার এক
শিক্ষার্থীকে শিক্ষক নির্যাতন করেছেন—এমন অভিযোগ জানিয়ে ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। খবর
পেয়ে স্থানীয়রা মাদরাসায় গিয়ে রফিকুল ইসলামকে আটক করেন। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা
হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত
অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের পর রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো
হয়। বৃহস্পতিবার তাকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, শিক্ষার্থীর
মায়ের অভিযোগের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে পরবর্তী
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বরুনদা
গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মুসলিমনগরের তাহসিনুল কোরআন মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী প্রায় এক
বছর আগে কোরআন হেফজ করার জন্য ওই মাদরাসায় ভর্তি হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভর্তির পর থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করা
হচ্ছিল।
পরিবারের অভিযোগ, সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট রাতে নির্যাতনের পর
শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তার মা তাকে মাদরাসা থেকে বাসায় নিয়ে যান। সেখানে
ছেলের কাছ থেকে ঘটনা জানার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর তিনি স্থানীয়দের
সহযোগিতায় মাদরাসায় গিয়ে ঘটনার প্রতিবাদ করেন।
পুলিশ
জানিয়েছে, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা
হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন