বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে
সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈন উদ্দিনের কাছে
লাইসেন্স হস্তান্তর করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখার চিঠি সূত্রে জানা গেছে, ১১/২০২৬ নম্বর বাণিজ্য সংগঠন (টি.ও) লাইসেন্স
‘ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর নামে অনুমোদন
দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে লাইসেন্সে নির্ধারিত সব শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে।
অনুমোদিত লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী, লাইসেন্স পাওয়ার ৬০ দিনের
মধ্যে সংগঠনটিকে যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে (আরজেএসসি) নিবন্ধন
সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের পর এক থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রথম সাধারণ সভা আয়োজন
করতে হবে। এরপর ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠনের
বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এ ছাড়া সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থায়ী কার্যালয় স্থাপন, সরকারের
সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং বাণিজ্য সংগঠন আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করতে হবে।
লাইসেন্সের অন্যান্য নির্ধারিত শর্তও যথাযথভাবে পালন করতে হবে সংগঠনটিকে।
সরকারি স্বীকৃতি পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ
সোহাগ বলেন, এ লাইসেন্সের মাধ্যমে দেশের ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের জন্য একটি
প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনানুগ প্ল্যাটফর্ম তৈরি হলো।
তিনি বলেন,
সংগঠনের মাধ্যমে ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও
দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা, মালিকদের
স্বার্থ রক্ষা এবং এ খাতের উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ভবিষ্যতে
ফ্লাওয়ার মিল শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের
বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সংগঠনটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন