আটা-ময়দার বস্তায় ৩০০ টাকা বাড়তি আদায়’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে প্রতিবাদ জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতি।
সোমবার এক
প্রতিবাদলিপিতে সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রকাশিত প্রতিবেদনে সমিতির সভাপতি
আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগের বিরুদ্ধে বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত আদায়ের
যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়।
প্রতিবাদলিপিতে
বলা হয়, এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে প্রতিবেদনে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বা
আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। সমিতির দাবি, বাজারদর বৃদ্ধি এবং কোনো
ব্যক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয় দুটি সম্পূর্ণ আলাদা।
সমিতির
পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্প্রতি নিতাইগঞ্জ এলাকায় পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের সঙ্গে
সংশ্লিষ্ট ঘাট ইজারার ফি বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে
গমের দাম, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ, শ্রমিকের মজুরি ও উৎপাদন ব্যয়ের পরিবর্তনের
কারণে আটা-ময়দার বাজারদরেও প্রভাব পড়ছে।
প্রতিবাদলিপিতে
আরও দাবি করা হয়, সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগ কোনো ক্রেতার কাছ থেকে বস্তাপ্রতি
২০০ বা ৩০০ টাকা অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেননি। একই সঙ্গে এ ধরনের কোনো অর্থ আদায়ের
জন্য তিনি কাউকে নির্দেশও দেননি বলে উল্লেখ করা হয়।
নিতাইগঞ্জ
ঘাটের ইজারা ও পণ্য ওঠানামাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্যার কথা আলোচনায়
রয়েছে, তার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের ভূমিকা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে
সংগঠনটি। এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে
সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন বলেও মনে করছে সমিতি।
প্রতিবাদলিপিতে
বলা হয়, সংগঠনের সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে মিল মালিকদের বিভিন্ন
সমস্যা সমাধান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালন করে আসছেন।
ভবিষ্যতে
এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং
তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রত্যাশা জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ
আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতি।
দ্যা প্রেস নিউজ/এসআর
মন্তব্য করুন