সোমবার (৭
সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের এসও রোডের মণ্ডলপাড়া এলাকা থেকে
তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলার
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের গোদনাইল ডিপোর সহকারী
মহাব্যবস্থাপক মো. মাহবুবর রহমানের কাছে সংসদ সদস্যের পিএসের ব্যবহৃত গাড়ির জন্য
প্রতি মাসে বিনামূল্যে ৫০০ লিটার অকটেন সরবরাহের দাবি করেন রাশেদ আহম্মেদ।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতি
লিটার ১৪৫ টাকা হিসাবে ৫০০ লিটার অকটেনের মূল্য দাঁড়ায় ৭২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে
বিনামূল্যে ওই পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহে অপারগতা প্রকাশ করলে রাশেদ বিভিন্ন সময় ওই
কর্মকর্তার ওপর চাপ প্রয়োগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকেন।
এর ধারাবাহিকতায় গত
২ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১টার দিকে রাশেদ অনধিকারভাবে গোদনাইল মেঘনা ডিপোর ওই
কর্মকর্তার অফিসকক্ষে প্রবেশ করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময়
তিনি পুনরায় বিনামূল্যে ৫০০ লিটার অকটেন দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এতে রাজি না
হওয়ায় কর্মকর্তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি চাকরি থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ
প্রয়োগের অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী
কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে
নথিভুক্ত করা হয়।
মামলা দায়েরের পর
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
(ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদীর নেতৃত্বে এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি
মোহাম্মদ এমদাদুল হকের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার
এজাহারভুক্ত আসামি রাশেদ আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়,
গ্রেপ্তার রাশেদের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তাকে সাত দিনের
রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে
রাশেদ আহম্মেদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও মামলার
পরবর্তী আইনগত বিষয় আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
দ্যা প্রেস নিজ/এসআর
মন্তব্য করুন